Updates
  • সাইক গ্রুপ পরিচালিত নার্সিং থেকে পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য চাকরির সূবর্ণ সুযোগ

  • ২০১৭-১৮ শিক্ষা বর্ষে MATS ও IHT তে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি

  • Govt and Private Institutions Admission Notice

  • Diploma in Engineering Admission Notice 2017-2018

কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অনুমোদিত এবং রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ, নার্সিং ও ফার্মেসি কাউন্সিল অধিভূক্ত, সাইক গ্রুপ পরিচালিত রুমডো ইনস্টিটিউট অব মডার্ন টেকনোলজি ও রুমডো মেডিকেল ময়মনসিংহ শিক্ষা নগরীর সর্ব বৃহৎ প্রাইভেট পলিটেকনিক ও মেডিকেল ইনস্টিটিউট।

ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সমূহ

পৃথিবীতে উন্নত রাষ্ট্রগুলো ক্রমেই উন্নত হচ্ছে এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলো উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। রাষ্ট্র উন্নয়ন বলতে বুঝায় সে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং ইমারতগুলোর উন্নয়ন। ভূ-খন্ড নির্দিষ্ট কিন্তু জনসংখ্যা অপরিকল্পিতভাবে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এই নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডে জন-জীবনের জন্য মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন: খাদ্য,বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ইত্যাদির চাহিদা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে বেকারত্ব। তাই মৌলিক চাহিদা পূরণের সাথে সাথে বেকারত্ব দূরীকরণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে। সুনিয়ন্ত্রিত ও সুপরিকল্পিতভাবে নগর বাস্তবায়ন, বহুতল ভবন, উন্নত সড়ক পথ, রেলপথ, ব্রীজ, কালভার্ট, বিমানবন্দর ইত্যাদি নির্মাণে Civil Technology এর কোন বিকল্প নাই। বিস্তারিত

তথ্য প্রযুক্তি বর্তমান বিশ্বকে গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত করেছে। আধুনিক এই যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমাদের জীবন যাপনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট। এই পরিবর্তনশীল সময়ের সাথে এগিয়ে যাবার প্রত্যয় নিয়ে এল কম্পিউটার প্রযুক্তি। প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে নিজেকে আত্বনির্ভরশীল ব্যক্তি হিসাবে গুড়ে তুলতে হলে কম্পিউটার টেকনোলজি পড়ার বিকল্প কিছু হতে পারে না। একমাত্র কম্পিউটার টেকনোলজিই পারে বহুমুখি কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে কম্পিউটার টেকনোলজি অপরিহার্য। ২০১১ সালে প্রতিটি কোর্সে কম্পিউটার বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। সমস্ত- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহে ই-গভর্নেস চালু করতে যাচ্ছে, সেহেতু অনুমান করা যাচ্ছে যে, কম্পিউটার টেকনোলজি কর্মসংস্থানের ব্যাপ্তি কত বিশাল হতে পারে। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি আপনাকে সামিল করবে এই কম্পিউটার প্রযুক্তিবিদদের প্রথম সারিতে। এই কম্পিউটার ডিপ্লোমা ডিগ্রী হবে অবারিত কম্পিউটার সম্পর্কীত কর্ম ক্ষেত্রে প্রবেশের আপনার প্রথম চাবিকাঠি। বিস্তারিত

বিজ্ঞানী ভোল্টা কর্তৃক Electricity আবিস্কারের পর থেকেই মূলতঃ আধুনিক সভ্যতার যাত্রা শুরু। Electricity ছাড়া আমাদের জীবন যেমন অচল, Electrical Technology ছাড়াও পৃথিবী তেমনি অচল। কৃষি নির্ভর এবং শিল্পনির্ভর অর্থনীতি এখন পরিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল। ভারী শিল্প থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র কুটির শিল্প এবং গ্রাম্য কৃষি উপকরণ আজও বিদ্যুতের নিয়ন্ত্রণে। বর্তমান সভ্যতার সকল আধুনিক উপকরণসহ বেঁচে থাকার জন্য যুগোপযোগী Medical Science-এর সকল উপকরণই বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রিত। Electrical Technology কে বাদ দিয়ে সভ্যতার সকল উপকরণই অর্থহীন। সুতরাং বলা যায় সভ্যতার সর্বত্র বিদ্যুতের গুরুত্ব অপরিসীম এবং এর গুরুত্ব চিরদিনই থাকবে। ফলে Electrical Technology এর চাহিদা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিস্তারিত

বর্তমান বিশ্বে মেকানিক্যাল টেকনোলজিকে Mother টেকনোলজি নামে আখ্যায়িত করা হচ্ছে । পৃথিবীতে উন্নত রাষ্ট্রগুলো উন্নত হচ্ছে এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলো উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই যুগের সাথে তালমিলিয়ে চলতে হচ্ছে। মেকানিক্যাল টেকনোলজিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান সভ্যতায় সকল আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য মেকানিক্যাল টেকনোলজির অবদান অপরিসীম এবং এর গুরুত্ব চিরকাল থাকবে। ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স , কম্পিউটার, টেক্সটাইল, সিভিল টেকনোলজি এর সিংহভাগ মেকানিক্যাল টেকনোলজির সাথে অতোপ্রতভাবে জড়িত। উন্নত জীবন যাপনের জন্য মানুষের প্রতিটি মুহুর্তেই মেকানিক্যাল টেকনোলজির যন্ত্রপাতির সাথে জড়িত। বাস্ত্রব ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই মেডিকেল ইনস্ট্রুমেন্ট ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটারাইজ যন্ত্রপাতি সব কিছুই মেকানিক্যাল টেকনোলজিতে পড়ে। তাই মেকানিক্যাল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ধারীর জন্য অপেক্ষা করছে নিশ্চিত ভবিষ্যত।বিস্তারিত

বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে সর্বপ্রথম বস্ত্রখাতের সূচনা হয়। জন্মইলেও বস্ত্র, মরিলেও বস্ত্র, হাটি হাটি পা করে ১৯৭৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে বস্ত্রখাতের সর্বোচ্চ সম্প্রসারণ হয়। বর্তমানে মূলত আমাদের দেশে রপ্তানী আয়ের ৭৬% আসে বস্ত্র খাত থেকে। তথাপি এই শিল্পকে মানসম্মত করার জন্য যে পরিমান দক্ষ প্রকৌশলী দরকার আমরা তা তৈরি করতে পারছিনা। এখন পর্যন্ত অন্যান্য কোর্সের তুলনায় এই কোর্সটি এগিয়ে আছে। আমরা আশা করি ডিপ্লোমা টেক্সটাইল প্রকৌশলী হিসেবে কোর্স সম্পন্ন করলে বেকার থাকার কোন আশংকা নেই। তাছাড়া এই ইনস্টিটিউটের কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষক মন্ডলী যে ভাবে প্র্যাক্টিক্যাল ল্যাব ও ক্লাসের সুবিধা দিয়ে থাকেন তাতে করে আমরা আশা করি আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা লাভ করলে অবশ্যই আপনি একজন দক্ষ ও মানসম্পন্ন ডিপ্লোমা টেক্সটাইল প্রকৌশলী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। বিস্তারিত

গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং মূলতঃ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটা অংশ আর এ জন্য এর কর্মক্ষেত্রটা অনেক ব্যাপক। মানুষের তিনটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে বস্ত্র অন্যতম। এই বস্ত্রকে বিভিন্ন আঙ্গিকে নতুন নতুন ভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বের সকল মানুষের পছন্দের পোষাক তৈরি করাটাই Garments Design and Pattern Making এর কাজ। Fashion মূলতঃ পরিবর্তনশীল তাই দক্ষ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার ছাড়া সারা দুনিয়ার এই চাহিদা মিটানো সম্ভব নয়। মূলত গার্মেন্টস শিল্পে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটি ধারণা রয়েছে যে কেবল মাত্র কম শিক্ষিত লোকজনই এই শিল্পে চাকরি করে থাকে। না, আমরা বলতে চাই এই শিল্পে টেকনিক্যাল এবং ডিজাইন সংশ্লিষ্ট পোস্টের কাজ গুলি সবচেয়ে বেশি বেতনে বিদেশ থেকে এসে কাজ করে থাকে।এই সেক্টরে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে শুধু তাই নয় আগামী ১০বছরেও দক্ষ গার্মেন্টস ডিজাইন ও প্যাটার্ন মেকিং এর চাহিদা শেষ হবে না। এই শিল্প থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে। বিস্তারিত

মেডিকেল কোর্স সমূহ

নার্সিং একটি মহৎ পেশা এবং সেবামূলক কাজ। পৃথিবীতে যত মহৎ পেশা আছে নার্সিং তার মধ্যে অন্যতম। বিগত কয়েক দশকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিপুল সমপ্রসারনের সাথে নার্সিং পেশাটির বিপুল সমপ্রসারন ঘটেছে। বর্তমানে আমাদের দেশে একজন ডাক্তারের সাথে সহকারী হিসেবে চারজন নার্সকে সার্বক্ষনিক থাকতে হয়। তাই আমাদের দেশে দিনে দিনে অনেক মানুষ নার্সিং পড়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে। নার্সিং ৪বছর মেয়াদী একটি কোর্স। আমাদের দেশে বর্তমানে নার্সের চাহিদা অনেক। নার্সিংকে ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তা বলে গণ্য করা হয়। বহির্বিশ্বে এই পেশার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে সরকারী ও বেসরকারী খাতে নার্সদের বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে। বলাবাহুল্য একজন রোগীর ক্ষেত্রে একজন নার্সের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ছাত্র/ছাত্রী S.S.C পাশ করে নার্সিং কোর্সটি শেষ করে সে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সরকারী, আধাসরকারী ও বেসরকারী যে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার সুযোগ পাবে। শুরুতেই একজন নার্স ৮,০০০/- টাকা হতে ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে। দেশে বিদেশে নার্সিং পেশার ব্যাপক চাহিদা থাকায় নার্সিং কোর্সটি শেষ করে দেশের বেকারত্ব মোচন এবং বিদেশে চাকুরী করে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে। বর্তমানে B.Sc নার্সিং কোর্স চালু হয়েছে। যদি কেউ চায় তবে ডিপ্লোমা নার্সিং শেষ করে B.Sc নার্সিং পড়তে পারবে। সেক্ষেত্রে তার কর্মের সুযোগ সুবিধার পরিধি অনেক বেড়ে যাবে। বিস্তারিত

Medical Assistant Training School (MATS) হলো গ্রাম বাংলার জনগনের সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার সেবার লক্ষ্য নিয়ে- ১৯৭৬ সালে সরকার প্রথম মধ্যম মানের চিকিৎসক তৈরীর উদ্দেশ্যে ৩ বৎসর মেয়াদী বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে। এই কোর্সের নাম Medical Assistant Training Course. যা State Medical Faculty থেকে এই ডিপ্লোমা প্রাপ্ত চিকিৎসকগন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশন/লাইসেন্স প্রাপ্ত মধ্যম মানের চিকিৎসক। বাংলাদেশের ৬৮,০০০ হাজার গ্রামের প্রায় ১৫ কোটি মানুষের সাস্থ্য সেবা দেয়ার জন্যই মূলত এই চিকিৎসা শ্রেণী তৈরী হয়। ১৯৭৬ সালে কোর্স চালু হলে পরবর্তীতে ১৯৭৯ সাল থেকে গ্রাম/ইউনিয়ন এবং উপজেলা-লেভেলে নিয়োগ প্রাপ্ত মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্টগন গ্রাম বাংলার মানুষের চিকিৎসা সেবা তথা সাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছে। মানুষের যে কোন সাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যার কারনে বহু উচ্চ ডিগ্রি প্রাপ্ত ডাক্তার রয়েছেন যারা বেশীর ভাগই শহরাঞ্চলে বসবাস করেন। ফলে গ্র্রামের মানুষ তাদের সাস্থ্য সমস্যায় প্রাথমিক যে ডাক্তারদের সহযোগীতা পায় তারা হল এই বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত ডিপ্লোমা ডাক্তার। বিস্তারিত

বাংলাদেশে বর্তমানে মাত্র ৪টি সরকারী হেল্থ টেকনোলজী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তন্মধ্যে একটি ঢাকায় এবং অন্য দুটি রাজশাহী ও বগুড়ায় অবস্থিত। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১৫৫ জন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হবার সুযোগ পায়। পক্ষান্তরে বাংলাদেশে ১টি সরকারী ডেন্টাল কলেজ এবং দুটি ডেন্টাল ইউনিটে (রাজশাহী ও চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাথে) ২০০ জন ছাত্র/ছাত্রী ডাক্তার হবার সুযোগ পায়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারদের তুলনায় সরকারী IHT সমূহে অনেক কম সংখ্যক ডেন্টাল টেকনোলজিষ্ট হবার সুযোগ পায়। যদিও ডাক্তারদের তুলনায় ডেন্টাল টেকনোলজিষ্টদের প্রয়োজনীয়তা দ্বিগুনেরও বেশী। এই অল্প সংখ্যক ডেন্টাল টেকনোলজিষ্ট মূলত বাংলাদেশের চাহিদার তুলনায় খুবই নগন্য যা চাহিদা ও সরবরাহের ব্যাপক ব্যবধান তৈরী করেছে। যার ফলশ্রুতিতে সরকারী ও বেসরকারী খাতে ডেন্টাল টেকনোলজিষ্টদের যথেষ্ট পদ শূণ্য রয়েছে। বিস্তারিত

যে কোন মানুষ অসুস্থ হলেই তাকে ডাক্তারের সরনাপন্ন হতে হয় আর তখন ডাক্তারের চিকিৎসা করার জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক রোগ নির্ণয়ের কাজটাই করে একজন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট। সঠিক রোগ নির্ণয় না হলে মানুষ অনেক ভোগান্তির শিকার হয় এমনকি শেষ পর্যন্ত মৃত্যুও হতে পারে। মেডিক্যাল ল্যাবরেটরীর টেকনিশিয়ানরা এদের চেয়ে এক ধাপ নিচে। সাধারনত এক বছরের কোর্স সম্পন্ন করে টেকনিশিয়ান হয় কিন্তু তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট হয়। মূলত টিস্যু, রক্ত, মল, মানব শরীরের অন্যান্য পদার্থ পরীক্ষা করতে হয় এবং কাজের ফলাফল জানতে হয় সংশ্লিস্ট চিকিৎসককে। এছাড়া ল্যাবরেটরী সংক্রান্ত সব বিষয়েই দক্ষ হতে হবে। স্পেশালাইজেশন করা যায় মাইক্রো বায়োলজি, হেমাটোলজি, ইউরিন এনালাইসিস, সেরোলজি, ক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রি, ট্রক্সিকোলজি, ভাইরোলজি, হিস্টোপ্যাথলজি এবং সাইটোলজি বিষয়ে মূলত এটি একটি প্রফেশনাল ও সেবা মূলক কাজ। এই বিষয়ে পড়াশোনা করে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে অত্যন্ত ধৈর্য্য ও নিষ্ঠার সাথে পড়াশোনা করতে হবে। তবে এই কোর্স পড়ে উন্নত ক্যারিয়ার গঠন সম্ভব। এই কোর্স সম্পন্ন করলে কাজের সুযোগ অনেক। একজন ছাত্র চাইলেই ৩য় বর্ষ থেকে Job করতে পারে। বিস্তারিত

হেলথ্‌ সায়েন্স এবং কেমিক্যাল সায়েন্সের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় ফার্মেসী বিষয়টা অবস্থান এবং এই একটা পেশায় একজন ফার্মাসিস্টের দায়িত্ব নিয়মমত ঔষধের ব্যবহার নির্দিষ্ট করা। তাছাড়া ক্লিনিক্যাল প্রাকটিস মেডিসিন রিভিউ এবং ড্রাগ ইনফরমেশনের মত সেবামূলক পেশার মধ্যেই পড়ে। ক্যারিয়ার গঠনে ফার্মেসির ভূমিকা – S.S.C তে জি পি এ ২.৫ পেয়ে পাশ করে যারা প্রথমত রাস্তাছেড়ে প্রফেশনাল কোর্সে পড়াশোনা করতে চাও, তাদের জন্য ভাল খবর হল ভবিষ্যতে ভাল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য অল্প বয়সেই Diploma in Pharmacy কোর্সটি সম্পন্ন করে অনায়াসে একটি সরকারী (নিশ্চিত চাকুরী) অথবা বেসরকারী ভাল চাকুরী করতে পারবে। বিস্তারিত

বাংলাদেশে গর্ভধারণ ও প্রসবজনিত জটিলতার কারণে প্রতি ঘন্টায় ৩জন এবং প্রতি লাখে ১৭০ জন গর্ভবতি মায়ের মৃত্যু হয়। এছাড়া প্রায় ৪ লক্ষ জন মা ভেসিকো ভেজাইনাল ফিস্টুলা, প্রায় ১৬ হাজার জন মা রেক্টো ভেজাইনাল ফিস্টুলা এবং ১২২৪৭১৯ জন মা ইউনারী ইনকন্টিনেন্সে ভুগছেন। এসব রোগীদের মূত্রনালী ও পায়ুপথের সমস্যার কারণে শরীর থেকে অনবরত মল ও প্রস্রাব ঝরে। তাই প্রসবজনিত মাতৃ মৃত্যু ও জটিল সমস্যা সৃষ্টির কারণ অনেকটা সঠিক সময়ে Ultrasonogram না করার। যদি সঠিক সময়ে Ultrasonogram করে জরায়ুতে শিশুর অবস্থান জেনে চিকিৎসা প্রদান করা হয় তাহলে উপরোক্ত মাতৃ মৃত্যুহার ও জটিলতা নিরসন করা সম্ভব। গ্রামে যেহেতু Sonologist পাওয়া যায় না তাই বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড MBBS দের পাশাপাশি সার্টিফিকেট কোর্সে Medical Assistant-দের আল্ট্রাসাউন্ড কোর্স করার অনুমতি প্রদান করেছেন। বিস্তারিত

রুমডো ইনস্টিটিউট অব মডার্ন টেকনোলজি

Video Tour

ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাম্পাস

রুমডো ইনস্টিটিউট অব মডার্ন টেকনোলজি- সাইক গ্রুপের মাধ্যমে সরাসরি পরিচালিত হয়, যা পরিচালনা করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সোহেলী ইয়াসমিন। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সাল হতে তার কার্যক্রম শুরু করে সফলতার সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিস্তারিত

রুমডো ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি

Video Tour

মেডিকেল ক্যাম্পাস

রুমডো ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি- সাইক গ্রুপের মাধ্যমে সরাসরি পরিচালিত হয়, যা পরিচালনা করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সোহেলী ইয়াসমিন। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সাল হতে তার কার্যক্রম শুরু করে সফলতার সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিস্তারিত